বিশেষ প্রতিবেদক ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৪০ এ.এম
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। দেউলিয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অর্থনীতি ও ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে ১৮ মাসের সরকার বিরাজমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে নিজেদের সাফল্য তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিদায়কালে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের সন্তোষজনক রিজার্ভ রেখে যেতে পেরেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিশ্বের নিকৃষ্টতর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর ৮ আগস্ট বিপুল জনআকাঙ্ক্ষা নিয়ে সরকার গঠন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরুতেই ব্যর্থ হয়। শুরুতেই আনসার বিদ্রোহ, প্রশাসনিক বিদ্রোহ ও জুডিশিয়াল ক্যুর মতো অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় সরকারকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দাবিতে ১৬০০-এর বেশি আন্দোলনের মুখোমুখি হয় অন্তর্বর্তী সরকার।
এম এ নোমান ও মাহফুজ সাদি
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৫

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। দেউলিয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অর্থনীতি ও ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে ১৮ মাসের সরকার বিরাজমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে নিজেদের সাফল্য তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিদায়কালে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের সন্তোষজনক রিজার্ভ রেখে যেতে পেরেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিশ্বের নিকৃষ্টতর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর ৮ আগস্ট বিপুল জনআকাঙ্ক্ষা নিয়ে সরকার গঠন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরুতেই ব্যর্থ হয়। শুরুতেই আনসার বিদ্রোহ, প্রশাসনিক বিদ্রোহ ও জুডিশিয়াল ক্যুর মতো অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় সরকারকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দাবিতে ১৬০০-এর বেশি আন্দোলনের মুখোমুখি হয় অন্তর্বর্তী সরকার।
বিজ্ঞাপন
সরকারের সফলতা তুলে ধরে বিশ্লেষকরা বলেন, ভারতের হস্তক্ষেপের বাইরে থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত মানের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পেরেছে সরকার এবং অর্থনীতিকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর রেখে যেতে পেরেছে।
অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সংস্কার ও জুলাই সনদ প্রণয়ন এবং গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের রায় হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। এটিকে ড. ইউনূস সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবেও দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া প্রায় ২৪ হাজার মামলা থেকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন দলের পাঁচ লাখ নেতাকর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রমুখ।
ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে এসে ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার। একতরফাভাবে ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হয়। ‘ফেনী চিকেন নেক’ হিসেবে পরিচিতি মিরসরাইয়ে ভারতকে দেওয়া ৯০০ একর জমি অবমুক্ত করা হয় এ সময়ে।
এম এ নোমান ও মাহফুজ সাদি
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৫

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। দেউলিয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অর্থনীতি ও ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে ১৮ মাসের সরকার বিরাজমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে নিজেদের সাফল্য তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিদায়কালে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের সন্তোষজনক রিজার্ভ রেখে যেতে পেরেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিশ্বের নিকৃষ্টতর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর ৮ আগস্ট বিপুল জনআকাঙ্ক্ষা নিয়ে সরকার গঠন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরুতেই ব্যর্থ হয়। শুরুতেই আনসার বিদ্রোহ, প্রশাসনিক বিদ্রোহ ও জুডিশিয়াল ক্যুর মতো অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় সরকারকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দাবিতে ১৬০০-এর বেশি আন্দোলনের মুখোমুখি হয় অন্তর্বর্তী সরকার।
বিজ্ঞাপন
সরকারের সফলতা তুলে ধরে বিশ্লেষকরা বলেন, ভারতের হস্তক্ষেপের বাইরে থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত মানের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পেরেছে সরকার এবং অর্থনীতিকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর রেখে যেতে পেরেছে।
অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সংস্কার ও জুলাই সনদ প্রণয়ন এবং গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের রায় হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। এটিকে ড. ইউনূস সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবেও দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া প্রায় ২৪ হাজার মামলা থেকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন দলের পাঁচ লাখ নেতাকর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রমুখ।
ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে এসে ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার। একতরফাভাবে ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হয়। ‘ফেনী চিকেন নেক’ হিসেবে পরিচিতি মিরসরাইয়ে ভারতকে দেওয়া ৯০০ একর জমি অবমুক্ত করা হয় এ সময়ে।
গত ১৮ মাসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শতকরা ৯০ ভাগ সফল হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার—এমন দাবি করেছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, সরকারের সব পদক্ষেপই ছিল দেশ ও জনগণের কল্যাণে।
এ সময় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি হয়েছে; যার প্রায় ৮৪ শতাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে বলে বিদায়ী ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন।
ভারতের হস্তক্ষেপমুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাইলফলক
২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপ ছিল— এমনটিই বিশ্বাস করেন দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। এ হস্তক্ষেপের বিষয়টি ভারতের নীতিনির্ধারকরাও স্বীকার করেছেন।
ভারতের হস্তক্ষেপের বাইরে এসে দেশের ইতিহাসে একটি সেরা নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার করেছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো দু-একটি বিষয়ে প্রশ্ন তুললেও সার্বিকভাবে ফলাফল মেনে নিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন কমিশন ও দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত মানের হয়েছে বলে জানিয়েছে।
এম এ নোমান ও মাহফুজ সাদি
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০: ১৫

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। দেউলিয়ার দ্বারপ্রান্তে থাকা অর্থনীতি ও ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়ে ১৮ মাসের সরকার বিরাজমান রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করে নিজেদের সাফল্য তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। বিদায়কালে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের সন্তোষজনক রিজার্ভ রেখে যেতে পেরেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বিশ্বের নিকৃষ্টতর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের পর ৮ আগস্ট বিপুল জনআকাঙ্ক্ষা নিয়ে সরকার গঠন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রশাসনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরুতেই ব্যর্থ হয়। শুরুতেই আনসার বিদ্রোহ, প্রশাসনিক বিদ্রোহ ও জুডিশিয়াল ক্যুর মতো অনেক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হয় সরকারকে। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দাবিতে ১৬০০-এর বেশি আন্দোলনের মুখোমুখি হয় অন্তর্বর্তী সরকার।
বিজ্ঞাপন
সরকারের সফলতা তুলে ধরে বিশ্লেষকরা বলেন, ভারতের হস্তক্ষেপের বাইরে থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত মানের একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পেরেছে সরকার এবং অর্থনীতিকে একটি মজবুত ভিত্তির ওপর রেখে যেতে পেরেছে।
অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে সংস্কার ও জুলাই সনদ প্রণয়ন এবং গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের রায় হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। এটিকে ড. ইউনূস সরকারের অন্যতম সাফল্য হিসেবেও দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হওয়া প্রায় ২৪ হাজার মামলা থেকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন দলের পাঁচ লাখ নেতাকর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রমুখ।
ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে এসে ন্যায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার। একতরফাভাবে ভারতকে দেওয়া ট্রানজিট ও ট্রানশিপমেন্ট চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হয়। ‘ফেনী চিকেন নেক’ হিসেবে পরিচিতি মিরসরাইয়ে ভারতকে দেওয়া ৯০০ একর জমি অবমুক্ত করা হয় এ সময়ে।
গত ১৮ মাসে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শতকরা ৯০ ভাগ সফল হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার—এমন দাবি করেছেন সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, সরকারের সব পদক্ষেপই ছিল দেশ ও জনগণের কল্যাণে।
এ সময় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি হয়েছে; যার প্রায় ৮৪ শতাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে বলে বিদায়ী ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন।
ভারতের হস্তক্ষেপমুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাইলফলক
২০০৮ সাল থেকে বাংলাà