শনিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক

চুক্তি পর্যালোচনা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৩১ এ.এম

ছবি: সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার নাম করে ট্রাম্প প্রশাসন গত বছরের ১ এপ্রিল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর ‘পাল্টা শুল্ক’ আরোপ করেছিল। ওই আদেশ অবৈধ আখ্যা দিয়ে রায় দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। শুল্ক আরোপকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাতিল হতে পারে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এমন আভাস দিয়েছেন।

এদিকে ‘পাল্টা শুল্ক’ আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বাতিল হওয়ায় সাময়িক স্বস্তি দেখছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। তবে নতুন করে এক ধরনের অনিশ্চয়তাও তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। কেননা, ইতোমধ্যে ট্রাম্প অন্য আইনের আওতায় সব দেশের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তাই এখনই পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিশ্চিত নয়। কেননা, ট্রাম্প প্রশাসন তাদের কঠোর বাণিজ্য নীতি, শুল্ক ব্যবস্থা এবং আমেরিকান শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষার লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছে। 

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করে এসেছে, তার পরিণতি কী হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন, চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে গেছে। তবে ভিন্নমতও আছে। কেউ বলছেন, দুই দেশের চুক্তি এভাবে বাতিল হবে না। 

‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ নামে চলতি ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, ভারত, জাপান, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, সুইজারল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, তাইওয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং উত্তর মেসিডোনিয়াসহ প্রায় ২০টি দেশ ও অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। এসব চুক্তির কী হবে, তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে গত অন্তর্বর্তী সরকার সন্তুষ্ট হলেও চুক্তির অনুলিপি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকি দেশের অর্থনীতিবিদ ও গবেষণকরা মত দিয়েছেন, এ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি। বাংলাদেশের দিক থেকে বড় বাণিজ্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে চুক্তিতে। কম্বোডিয়া ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির ভাষা নমনীয় হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে চুক্তিতে কঠোর ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছে বলে অভিমত গবেষকদের। 

চুক্তির কী হবে 
বাংলাদেশের জন্য এই রায়ের ক্ষেত্রে প্রধান আলোচনার বিষয়– ঢাকা-ওয়াশিংটন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যচুক্তির ভবিষ্যৎ কী হবে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৯ ফেব্রুয়ারি একটি রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে পাল্টা শুল্ক ১৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান সমকালকে বলেন, রায় অনুযায়ী আমেরিকার কর্তৃপক্ষের আরোপিত শুল্কগুলোর আইনি ভিত্তি নেই। তাই চুক্তি বাধ্যতামূলক নাও থাকতে পারে। বাণিজ্যচুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে অচিরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা যোগাযোগ করবেন। 

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বাণিজ্যচুক্তি এখনও কোনো পক্ষ অনুমোদন করেনি। অর্থাৎ চুক্তিটি এখনও কার্যকর হয়নি। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষণা করায় চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে।

অর্থনীতিবিদ ও ইউএনডিপির মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন দপ্তরের সাবেক পরিচালক ড. সেলিম জাহান সমকালকে বলেন, মার্কিন প্রশাসন জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছিল, তা যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বেআইনি ঘোষণা করায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় নতুন আইনি প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব দেশের ওপর এ শুল্ক কার্যকর ছিল, তারা এখন এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এই শুল্ক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সংগ্রহ করেছে। আদালতের রায় কার্যকর হলে আদায়কৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি উঠতে পারে। সে ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক ও আমদানিকারক দু-পক্ষই ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। বাস্তবে কী প্রক্রিয়ায় এবং কোন পক্ষকে কীভাবে অর্থ ফেরত দেওয়া হবে, তা জটিল ও অনিশ্চিত একটি বিষয়।

ড. সেলিম জাহান উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের প্রাক্কালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু এটি এখনও সংসদে অনুমোদিত হয়নি। ফলে চুক্তিটি বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ আইনগত বৈধতা অর্জন করেনি এবং ‘রেটিফিকেশন’ ছাড়া তা কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, চুক্তির কিছু ধারা এবং সম্ভাব্য অপ্রকাশিত শর্ত নিয়েও আলোচনা চলছে। বিশেষ করে তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত থাকলে তা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। যদিও এসব বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বিষয়টি কেবল বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাই চুক্তি কার্যকর না হলেও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি এবং সামুদ্রিক কৌশলগত অবস্থানের মতো ইস্যুতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। মার্কিন প্রশাসনের বার্তায় চলমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার উল্লেখ থাকায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ প্রেক্ষাপটে সেলিম জাহান বিকল্প বাজার অনুসন্ধান ও বহুপক্ষীয় বাণিজ্য উদ্যোগ জোরদারের পরামর্শ দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আসিয়ানসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক জোট এবং দেশের সঙ্গে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সক্রিয় কূটনৈতিক ও নীতিগত উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। তাঁর মতে, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোই এখন সময়ের দাবি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সাবেক মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেছেন, মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায় বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক। কারণ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফভিত্তিক চুক্তি সই হয়েছিল, তা এখনও কার্যকর হয়নি।

তিনি জানান, চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে দুই দেশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন বা রেটিফিকেশন প্রয়োজন ছিল। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর রেটিফিকেশনের ৬০ দিন পার হলে এটি কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আদালত মূল শুল্ক কাঠামোকেই অবৈধ ঘোষণা করায় চুক্তিটির ভিত্তিই দুর্বল হয়ে গেছে। তাঁর মতে, এ অবস্থায় চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিলের পথে যাবে।

হাফিজুর রহমান বলেন, চুক্তির কেন্দ্রীয় বিষয়ই ছিল রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ। তা না থাকলে বাকি অঙ্গীকারগুলো বহাল রাখার যৌক্তিকতা থাকে না। পুরো চুক্তি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, চুক্তির অধীনে বাংলাদেশকে কয়েকটি কঠিন শর্ত মানতে হতো। যেমন ই-কমার্স ও অনলাইন সেবায় শুল্ক না বসানো, নন-মার্কেট অর্থনীতির দেশের সঙ্গে নির্দিষ্ট ধরনের চুক্তিতে সীমাবদ্ধতা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে এমন ভর্তুকি না দেওয়া, যাতে তা মার্কিন পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলে। এসব শর্ত মানলে সরকারের নীতিগত স্বাধীনতা কমে যেতে পারত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তাঁর ভাষায়, যদি মূল সুবিধাটাই না পাওয়া যায়, তাহলে এত বাধ্যবাধকতা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। এখন আলোচনায় বসে দেশের স্বার্থ অনুযায়ী ধারা পুনর্বিবেচনার দাবি তোলা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে ১৫ শতাংশ শুল্ক বৈশ্বিকভাবে আরোপ করেছে, তা সব দেশের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। তাই এতে বাংলাদেশ আলাদা কোনো অসুবিধায় পড়বে না এবং প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কাও কম।

রপ্তানিকারকরা যা বলছেন 
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল সমকালকে বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। আপাতভাবে বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে ঠিক হওয়া ১৯ শতাংশের চেয়ে যা কম। এটি আংশিক স্বস্তিদায়ক, তবে সাময়িক। ট্রাম্প অন্য কোনোভাবে আরও বেশি শুল্ক আরোপ করে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়ে যাচ্ছে। ফলে ব্যবসায় নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। আগামী পাঁচ মাসের মধ্যে আবার নতুন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাপারেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল হক মুকুল বলেন, রায়ের পর শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে ছুটির কারণে ক্রেতাদের মতামত জানা সম্ভব হয়নি। তবে দুই-তিন দিনের মধ্যে তারা ক্রেতাদের মনোভাব বুঝতে পারবেন। তাঁর মতে, সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্যচুক্তি দেশের জন্য ভালো হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কারণে এই চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল না হলেও সরকারের উচিত হবে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করা।

বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী এবং বিকেএমইর সহসভাপতি মো. রাশেদ একই মত প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, সবাই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং এখনই তাৎক্ষণিক ক্রেতাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ‘গভীর অবিশ্বাস’ নিয়ে আলোচনায় বসছে ইরান

news image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ৭১ সদস্যের প্রতিনিধিদল নিয়ে ইসলামাবাদে ইরান

news image

ইরানের পালটা হামলায় নাজেহাল ফুঁসে উঠছে ইসরাইলিরা, ছাড়ছে জন্মভূমি

news image

বিশ্লেষকের সতর্কবার্তা জ্বালানি তেলের দাম ১৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে

news image

মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা

news image

সুরক্ষিত ভবনে যেভাবে নিহত হন খামেনি

news image

খামেনি নিহত হয়েছেন, নিশ্চিত করল ইরানি সংবাদমাধ্যম

news image

ইরানে যৌথ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র

news image

মার্কিন শর্ত মানতে রাজি নয় ইরান, কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

news image

আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত বন্ধ চায় আফগানিস্তান

news image

ইসরাইলি পার্লামেন্টে মোদি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়

news image

পশ্চিম তীরের মসজিদে আগুন দিল অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা

news image

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে বাংলাদেশিসহ ৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী আটক

news image

চুক্তি পর্যালোচনা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে

news image

চীনকে টেক্কা দিতে যুক্তরাষ্ট্র-জাপানের ৩৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা

news image

খামেনির সরকার পরিবর্তনে চাপ সৃষ্টির কৌশল ট্রাম্পের

news image

ইরান নিয়ে ‘অত্যন্ত কঠোর বিকল্প’ বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

news image

বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন ইরান, ইন্টারনেট শাটডাউনের আড়ালে কী চলছে?

news image

‘মহান মিত্র’ কাতারের ইস্যুতে ইসরাইলকে সতর্ক থাকতে বললেন ট্রাম্প

news image

বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

news image

ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার, ইউরোপের নিন্দা

news image

‘স্বৈরশাসক’ ট্রাম্পের অপসারণের দাবিতে উত্তাল ওয়াশিংটন

news image

একই টেবিলে শি জিনপিং-কিম-পুতিন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ট্রাম্পের

news image

আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯০০

news image

মুসলিম ঐক্যের ডাক ইরানি প্রেসিডেন্টের

news image

যেখানে প্রতিটি দিন শুরু হয় একটাই প্রশ্ন দিয়ে—আজ কি খাবার জুটবে?

news image

বাংলাদেশি পণ্যে ভারতের চেয়ে কম শুল্কের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

news image

নিউইয়র্কে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে পশ্চিমা ১৫ দেশের আহ্বান

news image

ইসরায়েল চার শর্ত না মানলে সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে যুক্তরাজ্য

news image

জাতিসংঘের ত্রাণবাহী গাড়িবহর গাজায় প্রবেশ করতে মানবিক করিডর খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল!